মুসলমানের নবী মুহাম্মদ কি সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব ছিলেন?
মুসলমানেরা হরহামেশাই এমন দাবী উত্থাপন করে নবী মুহাম্মদ পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। যদিও এমন দাবী বেশ হাস্যকর। মোহাম্মদের জন্মের ইতিহাস এবং ইসলাম প্রচারে তাঁর বর্বর এবং ঘৃণিত ইতিহাসই উন্মোচিত হয়। নবী মুহাম্মদ ছিলেন প্রথমত পিতৃ পরিচয়হীন একজন জারজ সন্তান। মুহাম্মদের পিতা আব্দুল্লাহ মারা যাবার আড়াই বছর পর জন্মগ্রহণ করে মুহাম্মদ। এভাবেই পৃথিবীতে আগমন ঘটে একটি নিষিদ্ধ ভ্রূণের।
খাদিজাকে বিয়ে করে ঘরজামাই হয়। খাদিজা অনেক ধনসম্পত্তির অধিকারী ছিলেন। খাদিজা নিজের যৌন ক্ষুধা নিবৃত্ত করতেই ৪০ বছর বয়সে মাত্র ২৫ বছরের তরুন অসহায় মুহাম্মদকে বিয়ে করে। মুহাম্মদও অনুধাবন করেছিলো নিজের অস্তিত্ব ধরে রাখতে তাঁরও টাকা পয়সার প্রয়োজন, প্রভাব প্রতিপত্তি প্রয়োজন।
এক সময় খাদিজার ব্যবসায়িক প্রভাব প্রতিপত্তি ও সুনামকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে নবী দাবী করে ও ধর্মের প্রচার শুরু করে। নিজেকে অদৃশ্য, লিঙ্গ পরিচয়হীন এক খোদার নবী দাবি করেন। যদিও এর পেছনে প্রধান ভুমিকায় ছিলেন খাদিজা। নবী মুহাম্মদ ছিলেন মূলত একজন যৌন নিপীড়ক এবং নারীলোভী। এর প্রকাশ পায় খাদিজা ইন্তেকালের পরবর্তী সময়ে।
নবী মুহাম্মদ ইসলাম প্রচারের নামে যুদ্ধে জড়াতেন। জিদাহের উন্মাদনায় যখন কোন যুদ্ধে জয়ী হতো, ইহুদি মেয়েদের ধরে ধরে মুহাম্মদ ও তাঁর সাহাবীরা গণিমতের মাল হিসেবে যৌন দাসী হিসেবে তাঁদের সাথে অবয়িধ ভাবে হালাল যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হত। এমনকি নবী মুহাম্মদের ছিলো ২ জন যৌন দাসী।
শুধুমাত্র খাদিজা ইন্তেকালের পরেই একে একে ১১ টি স্ত্রী গ্রহণ করে। শিশু আয়েশা (৬ বছর) বয়সে তাকে বিয়ের নামে ধর্ষণ করে নবী মুহাম্মদ। যে বয়সে শিসু আয়েশার হাস্যোজ্জল শৈশব কাটানোর কথা সে বয়সে নবী মুহাম্মদের বীর্যপাতে শিশু আয়েশার জীবন ছিলো দুর্বিষহ। এবং নবী মুহাম্মদ বিয়ের আগে শিশু আয়েশাকে স্বপ্নে দেখতেন। এ বিয়ের নির্দেশ নাকি, শিশু ধর্ষণের অনুমোদন নাকি আল্লাহ স্বয়ং তাঁর নবীকে দিয়েছিলেন।
এই নবী মুহাম্মদ তাঁর পালিত পুত্র জায়েদের সুন্দরী স্ত্রীকে বিয়ে করেছিলেন জায়েদ জীবিত থাকতেন। মিথ্যা কথা বলে তাঁর স্ত্রী হাফসাকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে হাফসার ঘরে দাসী মারিয়ার সঙ্গে যৌন মিলন করে ধরা খেয়েছিলেন।
নবী মুহাম্মদ যুদ্ধ বন্দীদের হত্যা করলেন। নারীদের ধর্ষণ করলেন। যৌন দাসী বানালেন।নগ্ন করে নারীদের বাজারে বিক্রি করলেন ক্রীতদাসী হিসেবে। এই অপরাধের কোন শেষ নেই। যা আজও এই বর্বর মৌলবাদী মুসলিমরা করে আসছে। ইসলামের নামে হত্যা করছে মানুষ।
