নারীর পর্দা: বিশ্বাস নাকি নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার?
ধর্মের অন্তরালে নারীদের দাসত্বের গল্প বেশ পুরোনো। প্রাগৈতিহাসিকভাবেই এমন সত্য প্রতিষ্ঠিত। রাষ্ট্র, সামাজিক এমনকি পারিবারিকভাবেও নারীদের ধর্মের যৌনদাসী হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার প্রাথমিক শিক্ষাটাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আসে পরিবার থেকে।
ইসলাম ধর্মে নারীদের পর্দার অন্তরালে এমনভাবে ঢেকে রাখা হয়, যেন জীবন্ত ভূতের মতো। মানুষ হিসেবে, বিশেষ করে এসব নারীরা, কেউই দাস হয়ে জন্মায় না। ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা চিন্তায় ও মননে ধীরে ধীরে দাসত্ব বরণ করে।
নবী মুহাম্মদের ওপর নাজিল হওয়া আসমানি চটিগল্পের বই কুরআনে, সূরা আন-নূর, আয়াত ৩১-এ: মুমিন নারীদের দৃষ্টি সংযত রাখা, লজ্জাস্থান হেফাজত করা এবং তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ওড়না (খিমার) দিয়ে বুক ঢেকে রাখতে বলা হয়েছে। এমন সব বিষয়কে ব্যাখ্যা করা হয়েছে ধর্মের সৌন্দর্য হিসেবে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদেও মৌলবাদী গোষ্ঠী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত নারী সাংসদদের আপাদমস্তক কালো বোরখায় ঢেকে রাখা নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য বলেন, তাদের দিকে তাকালে বোঝা কঠিন, “ওখানে কী আছে? এরা কারা? এদের তো আমরা চিনতে পারি না।”
এমন মন্তব্যের জেরে সারা দেশে ধর্মীয় উগ্রবাদী, মৌলবাদী গোষ্ঠী রাস্তায় বেরিয়ে প্রতিবাদ জানায়। এমনকি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশে মৌলবাদীদের উত্থান ঘটে। এরই বহিঃপ্রকাশ ঘটে জঙ্গিগোষ্ঠী জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য ইসলামিক জোটগুলোর দেশের রাজনীতিতে বিরোধী দলের অবস্থানে বেশ শক্ত ভূমিকার মাধ্যমে।
কিন্তু নারীদের বাধ্যতামূলকভাবে পর্দা নিয়ে ১৪০০ বছর পরেও আজ কেন মৌলবাদীদের এমন উন্মাদনা?
নারীদের জান্নাতে পাঠাতে কেন এত মরিয়া এ ধর্মান্ধ গোষ্ঠী?
এরা এপস্টিন, নবী মুহাম্মদের উত্তরসূরি। নবী মুহাম্মদ যেমন ১১ স্ত্রী, শিশু আয়েশাকে ধর্মের দোহাই দিয়ে বিয়ের নামে যৌন নির্যাতন চালিয়েছে এবং ছিল দুজন যৌনদাসী, যাদের কাজই ছিল নবী মুহাম্মদের যৌন খায়েশ পূরণ করা। নবী মুহাম্মদ কুকুরের মতো যৌন লীলায় উন্মাদ ছিল। আজকের মুমিন মুসলমানেরাও পর্দায় নারীদের ঢেকে রেখে একের পর এক বিয়ে ও যৌনময় জীবন উপভোগ করতে চায়।
নবী মুহাম্মদের এই সকল অনুসারীরা ইসলাম ধর্মের নামে পৃথিবীতে একমাত্র বিচিত্র ধর্ম, বিচিত্র ধর্মীয় লেবাস, বিচিত্র ধর্মীয় রীতি, নারীবিদ্বেষী এবং নারীভোগী একটি মাত্র প্রজাতি।
