রবিবার, ০৭ জুন, ২০২৬

নবী মুহাম্মদের দাস ব্যবসা ও জাহেলিয়াত

নবী মুহাম্মদ নিজেই দাস ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে বিভিন্ন যুদ্ধে জয়ী নবার পর যুদ্ধে বন্ধী নারীদের কখনো যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করতেন নিজেই। কখনো ভোগ বিলাসের পর অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করতেন। যুদ্ধবন্দিনী নারীদের দাসে রূপান্তর, বিক্রি করা এ ধরণের গর্হিত কাজ কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

নবী মুহাম্মদ নিজে নিজেকে নবী হিসেবে প্রকাশ করলেও, উনি ছিলেন মানুষিক বিকারগ্রস্থ এবং নৈতিক অবক্ষয়প্রাপ্ত। এই বর্বর প্রথার বিলোপ ঘটানোর পরিবর্তে নিজেই এর সাথে সরাসরি জড়িয়ে পড়েন।

একটি উদাহরণ দেওয়া যাক নবী মুহাম্মদের এক সাহাবীর ভাস্য থেকেই।

আবদুল মাজীদ ইবনে ওয়াহব (রাঃ) থেকে বর্ণিত; আদ্দা ইবনে খালিদ ইবনে হাওয়া আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদের নিকট থেকে যা ক্রয় করেছেন এটা তার দলীল। সে তাঁর নিকট থেকে একটি গোলাম বা বাঁদী ক্রয় করেছে, যার কোন রোগ-ব্যাধি নাই, যা চুরিকৃতও নয় এবং হারাম মালও নয়। এ হলো দু’ মুসলিমের পারস্পরিক ক্রয়-বিক্রয়।

বনু কুরাইজা গোত্রে নবী মুহাম্মদ গণহত্যা চালায়। এরপর নারী ও শিশুদের যুদ্ধে বন্ধী করে সাদ হিসেবে বিক্রি করে। অর্থাৎ আরবে নবী মুহাম্মদ আইয়ামে জাহেলিয়াতকে উগ্রবাদ এবং জঙ্গিবাদী ইসলামের সূচনা করেছিলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *